নেত্রকোনা মহাসড়কে বাংলার পরিবর্তে ইরানি বিটুমিন!

প্রকাশিত: ৭:১১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২০

ভজন দাস, নেত্রকোণাঃ নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের শ্যামগঞ্জ থেকে নেত্রকোনার কান্দুলিয়া পর্যন্ত মহাসড়ক ওভারলে সিলকোট কার্পেটিং প্রকল্পের কাজে নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে মহাসড়কটির গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রকল্পের দায়িত্বরত দুইজন প্রকৌশলী ব্যবহৃত বিটুমিন নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন।

জানা গেছে,নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে ২০১৮ সালে নেত্রকোনার শ্যামগঞ্জ থেকে কান্দুলিয়া পর্যন্ত দুইটি প্যাকেজে ১০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯ কিলোমিটার ওভারলে সিলকোট কার্পেটিংয়ের কার্যাদেশ পান তানভীর কনস্ট্রাকশান নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কার্যাদেশ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্পের কাজ শুরুতে দীর্ঘ সময়ক্ষেপন করেন। প্রকল্পের কাজে পেট্রোবাংলার বিটুমিন ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার নিন্মমানের ইরানি বিটুমিন দ্বারা ওভারলে সিলকোর্টের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্ষায় বৃষ্টিতে চলমান কাজ এবং নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করায় মহাসড়কটির গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এই মহাসড়কের সড়কের প্রকল্পকাজে নিয়োজিত থাকা প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আলআমিন বলেন,প্রকল্পের ওভারলে কাজে ব্যবহৃত বিটুমিন ইরানি। তবে এই ইরানি বিটুমিনের গুনগত মান খুবই ভাল। এ বিষয়ে প্রকল্পের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্প কাজে ব্যবহৃত বিটুমিন ইরানি নয়। মানসম্মত বিটুমিন প্রকল্পের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হামিদুল ইসলাম বলেন,প্রকল্পের কাজের প্রথম ধাপে কাতারের একটি কোম্পানীর বিটুমিন আনা হয়েছিল। ওই বিটুমিন বুয়েটে পরীক্ষার পর ভাল রেজাল্ট এসেছে। দ্বীতিয় ধাপে আনা বিটুমিনের বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। দুই-এক দিনের মধ্যে এ বিটুমিন পরীক্ষার জন্য বুয়েটের ল্যাবে পাঠানো হবে।

সূত্রঃ  দেশ সংবাদ