ধর্মপাশায় শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেতে পারেনি পুলিশ

প্রকাশিত: ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় এক কন্যা শিশুকে (৬) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রহম আলী (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। রহম আলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের নোয়াবন্দ বাগার বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। শিশুর মা বুধবার দিবাগত রাত ১টায় বাদী হয়ে রহম আলীকে আসামী করে ধর্মপাশা থানায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা করেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রহম আলী গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

শিশুটির পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী রহম আলীর বাড়িতে ওই শিশুটি প্রায়ই টিভি দেখতে যেতো। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিশুটি টিভি দেখতে যায়। তখন রহম আলী স্ত্রী খাদিজা ও তার সন্তানেরা বাড়িতে ছিল না। সেই সুযোগে শিশুটিকে একা পেয়ে তার (শিশু) স্পর্শকাতর স্থানে যৌন নিপীড়ন করে এবং ধর্ষণ চেষ্টা চালায় রহম আলী।

এ সময় শিশুটি যাতে আত্মচিৎকার না দিতে পারে সেজন্য রহম আলী শিশুটির মুখ চেপে ধরেছিল। শিশুটি কোনো রকমে সেখান থেকে ছুটে বাড়িতে আসে। পরে শিশুর অস্বাভাবিক আচরণ ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে যৌন নিপীড়নের চিহ্ন দেখে শিশুটির মায়ের সন্দেহ হয়। তখন শিশুটি তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ব্যথা অনুভব হচ্ছে জানিয়ে সমস্ত বিষয় খুলে বলে। খবর পেয়ে শিশুর বাবা শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালে গেলে রহম আলীর ভাই রাসটো মিয়া হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে আসে। পরে স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর ও রহম আলীর পরিবারের লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়াসহ সামাজিকভাবে তা শেষ করার চেষ্টা করে। এমনকি শিশুটির পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে থানায় যেতেও বাধা দেওয়া হয়। পরে ওইদিন রাত ১০টার দিকে শিশুটিকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ধর্মপাশা থানার ওসি মো. খালেদ চৌধুরী জানান, ‘শিশুটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। রহম আলীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’