উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা

প্রকাশিত: ১২:৫৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০২১

আবু বকর রানা: নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ৮নং বিশকাকুনী ইউনিয়নে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। তৃতীয় ধাপে আগামী ২৮ নভেম্বর উক্ত ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার ভোটার ও প্রার্থীরা।

সোমবার (২২ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তারা ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। প্রার্থীরা ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে সাথে দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি। ইউনিয়নের হাটে-ঘাটে, চা স্টলে চলছে নির্বাচনী আলাপ-আলোচনা। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরাও রাত-দিন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রতিটি গ্রামের অলিগলিতে ব্যানার, পোস্টার ও লিফলেটের ছড়াছড়ি। সবমিলিয়ে জমে উঠেছে প্রচারণা।
ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে যেন এক অটুট বন্ধন। নিজের পছন্দের প্রতীক মন মত বেছে নিয়ে প্রার্থীরা ছুটে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের বাড়ি। জয়ের জন্য চাইছেন দোয়া ও ভোট।

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি থেকে কোনো প্রার্থী না থাকালেও বিশকাকুনী ইউপিতে মূল লড়াই হবে চতুর্মুখী। আ. লীগ মনোনিত প্রার্থী লাভলী আক্তার নৌকা প্রতীকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক চেয়ারম্যান নজমুল হুদা ফিরোজ (ঘোড়া মার্কা) এর সাথে সমান তালে লড়াই করছেন অন্য স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী মো. জুনায়েদ আল হাবিব (মোটরসাইকেল) ও আমিরুল ইসলাম আল আমিন (আনারস মার্কা) নিয়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, ভোটের মাঠে লড়াইয়ে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান নজমুল হুদা আকন্দ ফিরোজ।
নৌকার প্রার্থী লাভলী আক্তার গ্রামে গ্রামে নির্বাচনী সভা করে সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরছেন ভোটারদের কাছে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দাবি করছেন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত তাদের সমর্থক-কর্মীরা ক্ষমতাসীন প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকদের দ্বারা বিভিন্ন হুমকির শিকার হচ্ছেন। তবে ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হওয়ার আশা ব্যক্ত করছেন তারা।

এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে আ. লীগ মনোনিত প্রার্থী লাভলী আক্তার বলেন,, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় কোনো ধরনের বাঁধা বা কোথাও কাউকে কোন হুমকি দেওয়া হচ্ছে না। এসব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ।
আপরদিকে আওয়ালীগ প্রার্থীর অভিযোগ, এ ইউনিয়নের জনবিচ্ছিন্ন প্রার্থীরা আমাকে পরাজিত করতে পারবে না বলে উল্টো আমার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিথ্যা ও কুৎসা রটাচ্ছে।